এই বই সম্পর্কে
সিরিজ: শূন্য থেকে টেকসই ব্যবসা · সঙ্গী বই ২২ — কম কাজে বেশি রেজাল্ট
আমরা ছোটবেলা থেকে একটা কথা শুনে বড় হই — "আরও বেশি খাটো, আরও বেশি ঘণ্টা দাও, আরও বেশি কাজ ধরো।" কিন্তু যিনি দিনে ১৪ ঘণ্টা খাটছেন আর আয় তবু থমকে আছে, তিনি জানেন এই হিসাবটা কোথাও একটা ফাঁকি দিচ্ছে। আসল সত্যটা উল্টো: সব কাজ সমান নয়। আপনার ~২০% কাজ থেকেই ~৮০% ফল আসে — বাকি ৮০% শুধু সময় খায়, ক্লান্ত করে, অথচ লাভের খাতায় তেমন কিছু যোগ করে না। এই বই ঠিক সেই অপরিহার্য অল্পটা খুঁজে বের করা, বাকিটা সম্মানের সঙ্গে বাদ দেওয়া, আর এক ইউনিট পরিশ্রমকে বহুগুণে রূপ দেওয়ার বই — খাটুনি বাড়িয়ে নয়, বুদ্ধি খাটিয়ে।
এই যাত্রায় আপনার সঙ্গী থাকবেন ফারিয়া (কাল্পনিক) — ৩০ বছরের একজন উদ্যোক্তা, একটা হোম-বেকারি ও ফেসবুক পেজ একা সামলান। বেকিং, ডেলিভারি, কনটেন্ট, ইনবক্স — সব নিজে। প্রতি অধ্যায়ে আমরা তাঁর "সব কাজ"-এর স্তূপ থেকে অপরিহার্য অল্পটুকু বের করে আনব, যাতে কম করেও তিনি বেশি পান — আয়েও, আর পরিবারের সঙ্গে সময়েও।
চারটি বড় হাতিয়ার আপনি এই বইয়ে পাবেন: ৮০/২০ নীতি (Pareto — কোন অল্প কারণ থেকে বেশি ফল আসে), essentialism (অপরিহার্যতা — কম কিন্তু ভালোর শৃঙ্খলাবদ্ধ অনুসরণ), The ONE Thing (এমন একটা কাজ যা করলে বাকি সব সহজ হয়ে যায়), আর leverage (এক ইউনিট পরিশ্রমকে বহুগুণে রূপ দেওয়া — শ্রম, পুঁজি, কোড, মিডিয়া)।
DRY নোট — কোথায় কোনটা। অপরিহার্য অল্পটায় গভীর মনোযোগ দেওয়ার পদ্ধতি (Deep Work) আগেই শেখানো হয়েছে বই ১-এ — এই বই সেটা আবার শেখাবে না, শুধু দেখাবে leverage-এর জন্য কেন গভীর কাজ লাগে (অধ্যায় ৭)। পুঁজি, বিনিয়োগ ও passive-income-এর বিস্তারিত হালাল কাঠামো → বই ১০। এই বই দেয় সেই কাঠামোটা — কোন কাজে আপনার সময় ও পুঁজি লাগাবেন, আর কীভাবে এক পরিশ্রমকে বহুবার কাজে লাগাবেন।